media in prince moosa




 

সানডে টেলিগ্রাফের প্রচ্ছদে বাংলাদেশের ধনকুবের


বিশ্বখ্যাত লন্ডন টেলিগ্রাফের ১৭ই মে'র সংখ্যায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও ধনকুবের মুসা বিন শমশের সম্পর্কে একটি ব্যতিক্রমধমর্ী প্রচ্ছদ কাহিনী প্রকাশিত হয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী বিশেষ করে পশ্চিমা জগতে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। টেলিগ্রাফের বিশেষ প্রতিনিধি মিঃ নাইজেল ফার্নডেল ''ম্যান উইথ দি গোল্ডেন গানস'' শিরোনামে লিখেছেন বিশ্বের প্রথম সারির আন্তর্জাতিক এই অস্ত্র ব্যবসায়ী পৃথিবীর সর্বত্র বিশেষ করে পাশ্চত্য সমাজে 'প্রিন্স অব বাংলাদেশ' বলে খ্যাত। বিশ্বনন্দিত ধনকুবের আর কেউ নন, তিনি ড. মুসা বিন শমশের যাকে বিশ্বের সবের্াচ্চ মহল ও দরবারে সম্মানিত 'প্রিন্স মুসা' বলেই সম্মোধন করা হয়।
 
http://corporatenews.com.bd
প্রিন্স মূসার সেভেন স্টার পরিবার এখন ঢাকায়
প্রিন্স মূসা সপরিবারে থাকেন ঢাকার অভিজাত গুলশান এলাকায় তার সুরম্য প্রাসাদে। এই প্রাসাদে রয়েছে পুরুকার্পেট শোভিত বিশাল ড্রয়িং রুম ও ডাইনিং স্পেস। উপরে বেশ কয়েকটা মহামূল্যবান ডাউস ঝালর শোভা পাচ্ছে। প্রাসাদের প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ করার জন্য রয়েছে সুুশিক্ষিত ও সুসজ্জিত শতাধিক কর্মীর একটি দক্ষ টিম। ঐ কর্মী বাহিনী পাচতারা হোটেলগুলোর চেয়েও উন্নত মানের সার্ভিস দিয়ে থাকে। প্রিন্স মূসার ঢাকার প্রাসাদকে ঘিরে মিডিয়াতে বিভিন্ন কল্পকাহিনী প্রচারিত হয়েছে। প্রাসাদে মাঝে মাঝে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। অত্যন্ত সৌভাগ্যবান দেশী ও বিদেশী মেহমানরাই শুধু ঐ নৈশভোজগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন। ঐ সোভাগ্যবানদের কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ কালে তারা উল্লেখ করেছেন প্রিন্স ও তার পরিবারের আতিথিয়েতায় তারা অত্যন্ত মুগ্ধ হয়েছেন যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এ এক অকল্পনীয় অভিজ্ঞতা। তাই প্রিন্স মূসার পরিবারকে দেশের একমাত্র ফাইভ-স্টার ফ্যামিলি বলা হয়। সম্প্রতি জানা গিয়েছে যে সুইস ব্যাংকে প্রিন্স মূসার জব্দ করা ৭ বিলিয়ন ডলারের উপর থেকে বিধি নিষেধ এ বছরের শেষের দিকে উঠে যাবে। এবার ঐ ৭ বিলিয়ন ডলার দেশে নিয়ে আশার ব্যাপারে প্রিন্স মূসা চিন্তা ভাবনা করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক ৭ বিলিয়ন ডলারের ডিপোজিট বাড়ালে তা দেশের ডিজিপি তে উল্লেখ যোগ্য প্রভাব পড়বে। দেশের অর্থনীতি সুসংহত হবে। ৭ বিলিয়ন ডলার প্রাপ্তির পর ৭ সদশ্যের মূসা পরিবারকে ঘনিষ্ঠ জনেরা কি তখন সেভেন স্টার ফ্যামিলি হিসাবে আক্ষ্যায়িত করবেন? ৭ সদস্যের মূসা পরিবারে প্রিন্স মূসা ও তার স্ত্রী ছাড়া বাকি সদস্যরা হলেন -

প্রিন্স মূসার প্রথম সন্তান ন্যান্সি জাহারা বিনতে মূসা। তিনি ইউ এস এ’র ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস থেকে গ্রাজুয়েশন সমাপ্ত করেন এবং টেক্সাস স্টেট ইউনিভার্সিটি তেকে এমবিএ করেন।

দ্বিতীয় সন্তান ববি হাজ্জাজ বিন মূসা ইউ এস এ’র ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস থেকে গ্রাজুয়েশন এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন। শিক্ষা জীবন সমাপ্ত করে একজন সফল প্রফেসর হিসাবে কর্ম জীবনে প্রবেশ করেন। এছাড়াও তিনি একজন বিখ্যাত কলামনিস্ট হিসাবেও পরিচিত। ববি ব্যারিস্টার রাশনা ইমামের সঙ্গে বিবাগ বন্ধনে আবদ্ধ হন যিনিও এক জন অক্সফোর্ড স্কলার।

এবং তৃতীয় সন্তান জুবি আজ্জাত বিন মূসা বিশ্ববিখ্যাত লিংকন্স ইন্ থেকে একজন সফল ব্যারিস্টার হিসাবে গ্রাজুয়েশন এবং ইউনিভার্সিটি অফ অলভারহ্যামপটন থেকে আন্ডার গ্রাজুয়েট ল ডিগ্রী অর্জন করেন। বর্তমানে জুবি আইন পেশাই নিয়োজিত আছেন। তিনি সুমী নাসরিনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন যিনি ডিসটিংগুইসড্ ক্যানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন সমাপ্ত করেন।

গত তিন দশক ধরে প্রিন্স মূসা বিশ্বব্যাপী অভিজাত ফ্যাশন বৈচিত্রের প্রতিক হিসাবে সমাদৃত।

প্রিন্স মূসাকে বিশ্বের ফ্যাশন ম্যাগাজিনগুলো বেশ কয়েকবার বেস্ট ড্রেস্ড ম্যান অব দ্যা ওয়ার্ল্ড হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। প্রিন্স মূসাই বর্তমান বিশ্বের প্রথম যিনি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ডায়মন্ড জুয়েলারীর ব্যবহারের পাশাপাশি জুতাতেও ডায়মন্ড ব্যবহার করেন যাকে নিয়ে র্পথিবীর বিভিন্ন দেশে রূপকথার গল্পের মত নানান কল্পকাহিনী ছড়িয়ে আছে। ৮০’র দশকে ভারতের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলোর মত টাইম অব ইন্ডিয়া, হিন্দ, প্রিন্স মূসা দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ ধনী যদিও পরবর্তীতে ৯০’র দশকের পরে বিশ্বে কম্পিউটার সফ্টওয়্যারের বদৌলতে খোদ ভারতেই কয়েকজন ধনকুবেরের আবির্ভাব হয়েছে।

বিশ্বের প্রথম সারির আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ী পৃথিবীর সর্বত্র বিশেষ করে পাশ্চাত্য সমাজে ’প্রিন্স অব বাংলাদেশ’ বলে খ্যাত। বিশ্বনন্দিত ধনকুবের আর কেউ নন, তিনি ড. মূসা বিন শমশের যাকে বিশ্বের সর্বোচ্চ মহল ও দরবারে ’প্রন্স মূসা’ বলেই সম্বোধন করা হয়।
 
প্রিন্স মূসা - দি আইকন ও তাঁর সেভেন স্টার পরিবার

অনুবাদ ঃ শারমিন নাজ খান

প্রিন্স মূসা সারা পৃথিবী জুড়ে পরিচিত ও সমাদৃত বাংলাদেশের বিসনেস টাইকুন। সপরিবারে থাকেন অভিজাত গুলশান এলাকার একটি সুরম্য প্রাসাদে। অত্যন- মনোমুগ্ধকর ভাবে সাজানো প্রাসাদটি দেখলে চোখ ধাধিয়ে যায়। লিভিং রুম সহ প্রাসাদের গুরুত্বপূর্ণ স'ানের ছাদে শোভা পাচ্ছে বড় বড় দ্যূতিময় অসংখ্য ঝালর এবং ঘরগুলোর মেঝে মহামূল্যবান ঝকমকে কার্পেটে মোড়া। লিভিং রুমের আকর্ষণ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে সুপরিসর ডাইনিংস্পেস। সব মিলিয়ে প্রাসাদটি একটি স্বপ্নপূরীতে পরিণত হয়েছে।

শতাধিক সুশিক্ষিত এবং আন-র্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ও ইউনিফর্ম পরিহিত একটি দক্ষ কর্মী বাহিনী নিয়োজিত আছে প্রাসাদটি দেখাশোনার জন্য। এই কর্মীরা পাঁচতারা হোটেলের কর্মী দের চেয়েও উন্নত মানের সেবা প্রদানে সক্ষম। প্রিন্স মূসার ঢাকার প্রাসাদকে ঘিরে মিডিয়াতে বিভিন্ন কল্পকাহিনী প্রচারিত হয়েছে এবং দেশী বিদেশী সব বয়সের পাঠকদের বিমোহিতো করেছে। প্রাসাদে মাঝে মাঝে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। অত্যন- সৌভাগ্যবান দেশি ও বিদেশী মেহমানরাই শুধু ঐ নৈশভোজগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে ধন্য হয়েছেন । ঐ সৌভাগ্যবানদের কয়েকজন আলাপ কালে জানিয়েছেন যে তারা প্রিন্স মূসা ও তার পরিবারের আতিথেয়তায় অত্যন- মুগ্ধ হয়েছেন যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এ এক অকল্পনীয় মনমুগ্ধকর অনুভুতি। তাই প্রিন্স মুসার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দেশের একমাত্র ফাইভ-স্টারফ্যামিলিহিসাবেসুপরি প্রিন্স মূসা তিনটি বুদ্ধিদীপ্ত ও মেধাবী সন-ানের গর্বিত পিতা। ওরা হলেন ন্যান্সী, ববি এবং জুবি। এদের প্রত্যেকেই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করেছেন। চিত ও সমাদৃত।

প্রিন্স মূসার প্রথম সন-ান ন্যান্সি জাহারা বিনতে মূসা। তিনি ইউ এস এর ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস থেকে গ্রাজুয়েশন সমাপ্ত করেন এবং টেক্সাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেন। ন্যান্সি বিয়ে করেছেন সুধী সমাজে পরিচিত সনামধন্য ব্যবসায়ী শেখ ফজলে ফাহিমকে।

দ্বিতীয় সন-ান ববি হাজ্জাজ বিন মূসা ইউ এস এর ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস থেকে গ্রাজুয়েশন এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। একজন অক্সফোর্ড স্কলার ববি এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার এবং বিখ্যাত কলামনিস্ট হিসেবেও সুপরিচিত। ববি ব্যারিস্টার রাশনা ইমামের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন যিনিও একজন অক্সফোর্ড স্কলার এবং নিজস্ব পেশায় একজন উদীয়মান তারকা।

প্রিন্স মূসার তৃতীয় সন-ান জুবি আজ্জাত বিন মূসা বিশ্ববিখ্যাত লিংকন্স ইন থেকে একজন সফল ব্যারিস্টার হিসাবে গ্রজুয়েশন এবং ইউসিভার্সিটি অফ ওলভারহ্যাপটন থেকে আন্ডার গ্রাজুয়েট ল ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে জুবি আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন। তিনি সুমি নাসরিনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন যিনি একটি অভিজাত ক্যানাডিয়ান ইউনিভারর্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন সমাপ্ত করেছেন এবং বর্তমানে তার নিজস্ব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।

প্রিন্স মূসার সেভেন স্টার পরিবারের একটি অত্যন- আকর্ষনীয় ও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল যে পরিবারের সব সদস্যরাই এখন ঢাকায় অবস'ান করছেন এবং দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

দেশে বিদেশে অনেকে জানেন যে গত বছর সুইস ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিশ্বখ্যাত ও নেতৃস'ানীয় আন-র্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ী ড. মূসার ৭ বিলিয়ন ডলারের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করেছে। সুুইস ব্যাংক সূত্র থেকে বলা হয়েছে অনিয়মতান্ত্রিক পরিচালনার জন্য একাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। এই পরিসি'তিতে ড. মূসাকে সুইস ব্যাংকের সঙ্গে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে হচ্ছে সুইস ব্যাংকে জব্দ ৭ বিলিয়ন ডলার অবমুক্ত করার জন্য।

সমপ্রতি শোনা যাচ্ছে যে এবছরের শেষদিকে সুইস ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রিন্স মূসার জব্দ করা ৭ বিলিয়ন ডলারের একাউন্টের উপর আরোপিত বিধি নিষেদ উঠিয়ে নিবে। এই প্রক্রিয়া বাস-বায়িত হলে প্রিন্স মূসা তার ৭ বিলিয়ন ডলার দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়ে আশার ব্যাপারে চিন-া ভাবনা করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকে ৭ বিলিয়ন ডলার জমা হলে তা দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে বিগত সরকারের আমলে ভারতের জামসেদজি টাটা যখন বাংলাদেশে ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে চেয়েছিলেন তখন বিভিন্ন মহল থেকে বলা হয়েছিল এর ফলে জিডিপি অনেক বাড়বে। সেই প্রেক্ষিতে বলা যায় প্রিন্স মূসার ৭ বিলিয়ন ডলার দেশে আসলে আমাদের জিডিপি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগনে-র সূচনা হবে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক দেশ হিসাবে বিবেচিত হবে। যখন ৭ বিলিয়ন ডলার দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চলে আসবে তখন কি প্রিন্স মূসার পরিবার দেশের একমাত্র সেভেন স্টার পরিবার হিসাবে বিবেচিত হবে না?

বিগত কয়েক দশক ধরে বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন ম্যাগাজিন ও সংবাদপত্রগুলোতে প্রিন্স মূসাকে ফ্যাশন, ষ্টাইল এবং আভিজাত্যের মূর্ত প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করে অসংখ্য রিপোর্ট প্রকাশ করে আসছে। বিশ্বের শীর্ষস'ানীয় ফ্যাশন ম্যাগাজিনগুলো তাকে বিশ্বের সবচেয়ে সুসজ্জিত ব্যাক্তি (বেস্ট ড্রেস্‌ড ম্যান অফ দ্যা ওয়ার্ল্ড) হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তিনি সর্বপ্রথম নিজের বিশেষ ভাবে তৈরী করা ড্রেসে হীরা এবং অলংকার ব্যবহার করেছেন। প্রিন্স মূসা তার জুতাতেও হীরা বসাতে পছন্দ করেন এবং বিশেষ অনুষ্ঠান গুলোতে হীরা বসানো জুতা পরে উপসি'ত হন। এসব কারনে প্রিন্স মূসা বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন জগতে ব্যপক আলোড়নের সৃষ্টি করেছেন। একজন বিজনেস ম্যাগনেট ও টাইকুন হিসাবে বিখ্যাত বৃটিশ ম্যাগাজিনে "লন্ডন টেলিগ্রাফ" প্রিন্স মূসার উপর একটি আকর্ষনীয় ও ব্যতিক্রমধর্মী প্রচ্ছদ কাহিনী প্রকাশিত হয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী বিশেষ করে পশ্চিমা জগতে দারুনআলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। টেলিগ্রাফের বিশেষ প্রতিনিধি মিঃ নাইজেল ফার্নডেল "ম্যান উইথ দি গোল্ডেন গানস" শিরোনামে লিখেছেন বিশ্বের প্রথম সারির আন-র্জাতিক এই অস্ত্র ব্যবসায়ী পৃথিবীর সর্বত্র বিশেষ করে পাশ্চাত্য সমাজে "প্রিন্স অব বাংলাদেশ" বলে খ্যাত। বিশ্বনন্দিত ধনকুবের আর কেউ নন, তিনি ড. মূসা বিন শমশের যাকে বিশ্বের সর্বোচ্চ মহল ও দরবারে সম্মানিত "প্রিন্স মূসা" বলেই সম্বোধন করা হয়। তার অভিনব লাইফ স্টাইলের জন্য সভ্যতার কৃতিমান বাহক হিসাবেও তিনি পশ্চিমা সুধী সমাজে ব্যাপক ভাবে সমাদৃত। ৮০'র দশকে ভারতের শীর্ষস'ানীয় দৈনিক "দ্যা হিন্দু" এবং "টাইমস অফ ইন্ডিয়া" প্রিন্স মূসাকে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসাবে আখ্যায়িত করে। পরবর্তীতে ৯০'র দশকে কমপিউটার সফটওয়্যার বিপ্লবের পর ভারতেও অনেক টাইকুনের অভ্যুদয় হয়।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অজর্নে প্রিন্স মূসা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। নিয়মিত ভাবে বহু মিলিয়ন ডলার দেশে আসছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান- থেকে তার প্রতিষ্ঠানের পাঠানো শ্রমিক ও কর্মজীবিদের মাধ্যমে। দেশের মানব সম্পদ রপ্তানীর প্রথম রুপকার হিসেবে তিনি এক্ষেত্রে একজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। এর জন্য জাতিকে অবশ্যই কৃতজ্ঞ থাকতে হবে। বিগত কয়েক দশকে যখন দেশ একের পর এক প্রলয়ঙ্করী প্রাকৃতিক দূর্যোগে বিপর্যস' তখন প্রিন্স মূসা ক্ষতি গ্রস'দের জন্য বড় আকারের রিলিফ সামগ্রী পাঠিয়েছেন। অনেক কষ্ট সাধ্য উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি হাজার হাজার চাকরী প্রার্থীদের চাকরীর ব্যাবস'া করেছেন তার বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। সুইস ব্যাংকের জব্দ করা টাকা যদি ড. মূসা ফেরত পাওয়ার পর দেশে নিয়ে আসতে চান সেক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগীতা করতে হবে এবং বিভিন্ন ধরনের আকর্ষনীয় প্রনোদনা প্যাকেজের ব্যবস'া করার উদ্যোগ নিতে হবে। প্রিন্স মূসা সিদ্ধান- নিয়েছেন তিনি তার কষ্টার্জিত ডলার বাংলাদেশেই নিয়ে আসবেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই বিনিয়োগ নতুন দিগনে-র সূচনা করবে এবং বাংলাদেশকে স্বল্পতম সময়ে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সূত্র ঃ ইন্টারনেট
 
Consultation Company: Xaiyan Network